প্লিজ শাকিব তুমি এই মিথ্যাচার বন্ধ করো

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

বিনোদন প্রতিবদক : ‘সত্যি বলতে পারিবারিক কথাগুলো আমি সামনে আনতে চাই না। তার পরও এখন কথা বলতে হচ্ছে এবং আমার এসব বলতে কষ্ট লাগছে। একটা জাতীয় পত্রিকার শিরোনামে আমি দেখেছি যে, শাকিব বলেছে আমি বাচ্চাকে নাকি দেখতে দেইনি। এ বিষয়ে বলতে চাই যে শাকিব দেশের বাইরে থেকে কখন এসেছে, কিভাবে এসেছে- আমি জানি না। আর বাচ্চাকে দেখার জন্য কাউকে দিয়ে যোগাযোগের জন্য ফোন করানো হয়নি। আমি শাকিবের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করি, শাকিব তুমি অনেক ভালো কাজ করছো, আমি ও জয় প্রার্থনা করি যে তুমি আরো বেশি ভালো কাজ করো।

কিন্তু অবুঝ শিশু যে কথা বলতে জানে না, তাকে নিয়ে শাকিব প্লিজ এই মিথ্যাচার বন্ধ করো।’ শাকিব খান সবশেষ দেশের বাইরে থেকে ২১ তারিখ ঢাকায় এসে বাচ্চাকে দেখতে চাইলেও তা পারেননি বলে গণমাধ্যমকে জানালে তার জবাবে এমনটিই জানিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

তিনি আরো বলেন, এর আগে মনির নামে একজন শাকিবের সঙ্গে থাকেন, তিনি সবসময় বাচ্চাকে এসে নিয়ে যেতেন। গত ৪ তারিখ উকিল নোটিশ পাঠানোর পর থেকে আমার সঙ্গে আর কেউই যোগাযোগ করেননি। এর মাঝে প্রযোজক ইকবাল ভাইয়ের সঙ্গে একবার কথা হলো, তখন জানলাম মনির ভাই নাকি আমার কারণে নাম্বারটা পরিবর্তন করেছেন। তাই মূল কথা হচ্ছে আমার সঙ্গে শাকিব বা অন্য কেউই যোগাযোগ করেনি। শাকিব খান সর্বশেষ জয়কে গত বছরের নভেম্বরের ২৭ তারিখ দেখেছে। ‘নোলক’ ছবির শুটিং করার আগের কথা এটা।

এ সময় আমি নিজে জয়কে শাকিবের কাছে দুই রাত রেখেছিলাম। ওই সময়টা একটা কাজে আমি বগুড়ায় গিয়েছিলাম। এরপর আমাকে তো ডিভোর্স নোটিশ পাঠালো। শাকিব খান প্রতি মাসে হাতখরচ হিসেবে এক লাখ টাকা করে অপুকে পাঠাতেন। এ বিষয়ে অপু বলেন, আমাকে মাসিক এক লাখ টাকা করে পাঠানো হতো সেটাও বন্ধ করা হয়েছে। ডিভোর্সের কাগজটি পাঠানোর পর হয়তো শাকিব ভেবেছে যে আর এটা হয়তো দিতে হবে না।

উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাসের বাসার ঠিকানায় গত বছরের নভেম্বরে তালাকের নোটিশ পাঠান শাকিব খানের আইনজীবী। ডিসেম্বরের ৪ তারিখ সেই কাগজ হাতে পান অপু বিশ্বাস। তিন মাস পর তালাক কার্যকর হবে- এমনটিই জানিয়েছেন তার আইনজীবী। ১৫ই জানুয়ারি শাকিব-অপু দুজনকেই সমঝোতা সালিশে ডাকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। তবে অপু বিশ্বাস উপস্থিত থাকলেও দেশের বাইরে থাকায় এই বৈঠকে ছিলেন না শাকিব খান।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর্

আরো খবর »