কিবরিয়া হত্যার ১৩ বছর

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

হবিগঞ্জ : আজ ২৭ জানুয়ারি। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যার ১৩ বছর পূর্ণ হলো আজ। দফায় দফায় তদন্তের বেড়াজালে আটকে থাকা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়েছে প্রায় দু’বছর আগে। কিন্তু নানা জটিলতায় আবারও মামলার বিচার বিলম্বিত হচ্ছে।

জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। হামলায় নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী।

এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।

তিন দফা তদন্তের পর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেট অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আরিফুল, গউছ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন। কিন্তু দফায় দফায় তদন্তের বেড়াজালে আটকে থাকা লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়েছে প্রায় ২ বছর পূর্বে।

আইনি জটিলতায় বিচারটি বিলম্বিত হচ্ছে জানিয়ে মামলার বাদী মো. আব্দুল মজিদ খান এমপি বলেন, মামলায় মোট ১৭১ জন সাক্ষী আছেন। আমি ইতোমধ্যেই বাদী হিসেবে আদালতে সাক্ষী দিয়েছি। কিন্তু নানা আইনি জটিলতার কারণে মাত্র ২৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিতে পেরেছেন।

ফৌজদারী আইনের বিধান অনুযায়ী সাক্ষী আদালতে হাজির হলে এবং আসামি জেল হাজতে থাকলে তাকে আদালতে হাজির করতে হয়। আসামি হাজির না করা গেলে সাক্ষী নেয়া যাবে না। এ মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামিরা বিভিন্ন মামলার আসামি থাকায় তাদের ঠিকমতো আদালতে হাজির করা সম্ভব হয় না। ফলে সাক্ষ্যও নেয়া যায় না।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »