দীর্ঘতম পুরুষ ও ক্ষুদ্রতম নারী

Feature Image

দু’জনেই একই বছরে রেকর্ড গড়েছেন, দু’জনের পরিচয়ের শেষেই ‘তম’। তবু ফারাক শুধু উচ্চতায়। এবার তাদেরই দেখা হল পিরামিডের দেশ মিশরে।

তুরস্কের সুলতান কোসেন, বয়স- ৩৫ বছর, উচ্চতা- ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি (২৫১ সেন্টিমিটার)। তিনিই এই মুহূর্তে দুনিয়ার দীর্ঘতম পুরুষ। ২০১১ সালে চীনের শি সানকে (৭ফুট ৯ইঞ্চি) সরিয়ে গিনিস বুকে দীর্ঘতম পুরেষের স্বীকৃতি লাভ করেন কোসেন। অন্যদিকে, ভারতের নাগপুরের জ্যোতি আমগের বয়স-২৫, উচ্চতা- ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৬২.৮ সেন্টিমিটার)। দুনিয়ার ক্ষুদ্রতম নারী। আমেরিকার ব্রিজিট জর্ডনকে স্থানচ্যূত করে ২০১১ সালেই গিনিজ বুকের পাতায় দুনিয়ার ক্ষুদ্রতম নারীর পরিচয় পেয়েছেন জ্যোতি।

দেশের পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও চাঙ্গা করতে এবার এই দু’জনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর সরকার। দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক পিরামিড ও সৌধ এলাকায় এদের ফটোশুট করে পর্যটন মানচিত্রে দেশকে আরও তুলে ধরাই সে দেশের সরকারের উদ্দেশ্য। সরকারি আমন্ত্রণে মিশরে পৌঁছে ২৬ জানুয়ারি কায়রোর ঐতিহাসিক গিজা পিরামিডের সামনে পোজ দিয়েছেন দীর্ঘতম পুরুষ ও ক্ষুদ্রতম নারী।

জানা যাচ্ছে, উচ্চতার ফারাককে গুরুত্ব না দিয়ে তারা বেশ সহজেই লেন্সের সামনে দাঁড়িয়েছেন। এরপর মিশরের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রেও ছবি তোলা হবে তাদের।

তবে এই জুড়ির ছবি তুলে ক্যামেরার লেন্স ও প্রযুক্তিকে বেজায় সমালোচনা সহ্য করতে হচ্ছে। কারণ, সুলতান ও জ্যোতির ছবি দেখে অনেকেরই মনে হচ্ছে এটা ‘মিনিয়েচার ছবি’। কিন্তু মিশর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকাশিত ছবিতে কোনও কারসাজি নেই। আর এখানেই বোধ হয় এই নারী-পুরুষের আসল স্বীকৃতি। নিজেদের স্বাভাবিক বৈশিষ্টের দ্বারা তারা প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষমতা নিয়ে। যে সময়ে আক্ষরিক অর্থে দিনকে রাত করার ক্ষমতা রাখে প্রযুক্তি, সে সময় প্রযুক্তি ছাড়াই এরা ‘অবিশ্বাস্য’ রকমের স্বাভাবিক। তফাত নয়, ওদের আসল মিল এখানেই।

আরো খবর »