এই ৭ রকমের সহবাসের পজিশন ট্রাই না করলেই নয়

Feature Image

সেক্সের মুশকিলটা কোথায় বলুন তো?
এমনিতে জিনিসটা তো দিব্যি! তবে, ততক্ষণই, যতক্ষণ না ব্যাপারটা পুরনো হয়ে যাচ্ছে!
আসলে, একবার বিয়ে হয়ে গেলে তো স্বামীর জন্য স্ত্রী আর ও দিকে স্ত্রীর জন্য স্বামী! ব্যস, নিয়মের নড়চড় নেই!

ফলে, খুব সহজেই একে অপরকে হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছে বলে কিছু দিন পরেই আদরটা অভ্যেস হয়ে যায়। তখন আর শরীরে শরীর ছুঁয়ে আগুন জ্বলে না!

শুধু বিয়েই বা কেন, লিভ-ইনের ক্ষেত্রেও এক ব্যাপার হয়। মুশকিল করে এই একসঙ্গে সব সময়ে থাকাটাই!

আর, শরীর চাইলেও আরও একটা দিকে সমস্যা হয়। সেটা মানসিক। একই মানুষকে চব্বিশ ঘণ্টা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেলে তখন আর উত্তেজনার সময়ে সবার প্রথমে তাঁর কথা মনে পড়তে চায় না!

সেই জন্যেই বৈচিত্র্য দরকার!

উঁহু, বৈচিত্র্য মানে কিন্তু একেবারেই একাধিক যৌন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কথা বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে আদরের ধরনের কথা। আদর করার সময়ের কথা। এগুলো একটু উলটে-পালটে নিলেই কিন্তু ফিরে আসবে মধুযামিনী।

তাহলে বরং চোখ রাখা যাক সাতপাককে মধুর করা সাত যৌনকাহনে!

সকাল সকাল:
বেশির ভাগ মানুষই যৌনতার জন্য বেছে নেন ঘুমের আগের সময়টাকে। কিন্তু, এরকম মাথার দিব্যি কে দিয়েছে যে রাতের আঁধার ছাড়া সেক্স করা যায় না?
বরং, ঘুমোতে যাওয়ার আগে যেমন, তেমনই ঘুম থেকে উঠেও উপভোগ করুন যৌনতার আবেশ। দিন, মন এবং শরীর- এই তিনটেই ভাল রাখতে মর্নিং সেক্সের কিন্তু কোনও বিকল্প নেই। বরং, ব্যাপারটা খুব রোমান্টিক! সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে আপনার হাত যখন আলতো করে ছুঁয়ে যাবে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর শরীর, দেখবেন সেই উত্তেজনা দিনটাকেও ভরিয়ে রেখেছে আনন্দে। তার সঙ্গেই ফিরে আসবে পরস্পরের জন্য ফিকে হতে থাকা শারীরিক টান।

পুট অন দ্য লাইট:
শেক্সপিয়রের ওথেলো বলেছিল, পুট আউট দ্য লাইট অ্যান্ড দেন পুট আউট দ্য লাইট! মানে, আলোটা নিভিয়ে দাও! আর আমরা বলি কী, পুট অন দ্য লাইট- আলোটা জ্বালাই থাক!

সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে আদর করার সময়ে সাধারণত সবাই আলো নিভিয়েই দেন। ব্যাপারটা মন্দ কিছু নয়। বরং, আঁধার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর শরীরে আরও ঘন ভাবে মিশে যেতে সাহায্য করে।

কিন্তু, এই একেঘেয়েমি থেকে এবার একটু আলোর দিকে এলে হয় না? কেন না, আলোয় যখন আপনি খুব স্পষ্ট ভাবে দেখতে পাবেন সঙ্গী বা সঙ্গিনীর শরীর, তখন উত্তেজনা বাড়বে। পাশাপাশি, আলোয় যখন একে অপরের চোখে চোখ পড়বে, মুহূর্তরা আরও নিবিড় হয়ে উঠবে। যা ফিরিয়ে আনবে সেই চেনা সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে অচেনা যৌনতার টান!

মিলন হবে বাঁধন:
যৌনজীবনকে বৈচিত্র্যময় করে তুলতে একটু ব্লাইন্ডফোল্ড সেক্সের দিকেও যেতে পারেন! মানে, যে কোনও একজনের হাত, পা আর চোখ থাকবে বাঁধা! যদি ভাবেন ব্যাপারটা ততটা সুবিধের নয়, ভুল করছেন! এই সেক্সের মোদ্দা কথাই কিন্তু সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ। এই অবস্থায় একজন যখন অন্যজনকে ধীরে ধীরে পাগল করে তুলছে, সেটাই কিন্তু এক লহমায় ফিরিয়ে আনবে যৌন টান!

চানঘরে আদর-গান:
যৌনজীবনের একঘেয়েমি কাটাতে শাওয়ার সেক্সও কিন্তু খুবই ভাল। এমনিতে বেশির ভাগ মানুষ সেক্স করার পরে শাওয়ারের তলায় যান। আপনারা একবার শাওয়ারের তলাতেই পরস্পরের শরীরে ডুব দিয়ে দেখুন না! দেখবেন, জলের ধারা সব একঘেয়েমি ধুয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

রাগে-অনুরাগে:
রেগে গেলে দম্পতিদের অনেকেই আলাদা শয্যা নেন! এটা না করলেই ভাল! বরং, এবার আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী রেগে গেলে তাঁকে জড়িয়ে ধরুন। তিনি বাধা দিতে চাইবেন। আপনি ছাড়বেন না। একটু ধাক্কাধাক্কিও হতে পারে! হোক গে! দেখবেন, ধীরে ধীরে ব্যাপারটা যখন তীব্র যৌনতায় যাবে, পরস্পরের প্রতি টানটাই তখন বাড়বে!

আই লাভ ইউ:
দীর্ঘ দিন ধরে একই মানুষের সঙ্গে যৌনতা উপভোগ করার প্রথম শর্তই কিন্তু হচ্ছে তাঁকে ভালবাসা! তাই, মাঝে মাঝে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে যোঁটে আদর করতে করতে বলুন, আপনি তাঁকে কতটা ভালবাসেন! অন্তরঙ্গ মুহূর্তে এই সামান্য কথাই কিন্তু শরীর প্রেমের ফুলকি থেকে দাবানলে পরিণত হবে।

মন যা চাইছে:
সবার শেষে কী? আপনার মন একদম স্বতস্ফূর্ত ভাবে যা চাইছে! কেন না, যৌনতা যত স্বতস্ফূর্ত হয়, ততই তা উপভোগ্য হয়। তাই, মাঝে মাঝে লিফটে বা কিচেনে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে একটা অন্তরঙ্গ চুমু দিন। ইচ্ছে হলেই! সেই স্বতস্ফূর্ততা ধরে রাখুন চূড়ান্ত মুহূর্তেই! মন যা চাইছে, সে ভাবেই আদরে ভরিয়ে তুলুন মনের মানুষটিকে। দেখবেন, বাঁধাধরা গত থেকে এই বেরিয়ে আসাই অনেক দিন পরেও আবার জাগিয়ে তুলছে যৌনতার আকাঙ্ক্ষা।
বাকিটা থাক ব্যক্তিগত!

আরো খবর »