চোখ-ঠোট দেখে সঙ্গীকে চেনার উপায়

Feature Image

প্রবাদ আছে মুখ দেখে মানুষ চেনা যায়। কিন্তু এই প্রবাদের থেকে আরও একধাপ এগিয়ে বলা যায় শুধু চোখ ও ঠোট দেখেও মানুষ চেনাও যায়। চোখ যে মনেরও কথা বলে। আবার চোখকে ‘মনের জানালা’ বলা হয়। কারণ, চোখের রঙ মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। জানেন কি শুধু চোখ নয় ঠোটও কথা বলে। আপনার ঠোট প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু কথা বলেই চলেছে। তাই ঠোট দেখে নীরবে চিনে নেয়া যায় কাছের মানুষটিকে। কীভাবে চোখ ও ঠোট দেখেই চিনে নিতে পারবেন সঙ্গীকে। আসুন দেখা নেওয়া যাক-

#চোখ:‌ ধূসর চোখ-ধূসর চোখের ব্যক্তিরা কম আক্রমণাত্মক, ভদ্র এবং বুদ্ধিমান হয়। সংবেদনশীলতা তাদের ভিতরের শক্তি। তারা কথায় নয় কাজে বিশ্বাস করে। যৌন আবেদন থাকলেও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা, যৌক্তিকতা তাদের অন্যতম চারিত্রিক গুণ। হালকা বাদামি চোখ-কমনীয়তা বা মার্জিত চরিত্র তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পাশাপাশি কৌতুকপ্রিয়, স্বাধীন, সাহসী, রোমান্টিক হয়। কামদেবের বাণ এই চোখের যৌন আবেদনে হার মানতে বাধ্য। যেকোন চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন তারা। কালো বাদামি চোখ-বিশ্বাসী, আকর্ষণীয়, আত্মবিশ্বাসী, চমৎকার মনের মানুষ হয়। এছাড়াও তিনি প্রকৃতি প্রেমিক, ধর্মপরায়ণ বৈশিষ্ট্য তাদের মধ্যে থাকবে।কালো চোখ-কালো চোখের অধিকারিরা দায়িত্বশীল স্বভাবের হন। তাদের চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এরা খুবই আশাবাদী। মানুষের উপকারে সবসময় নিজেদের উৎসর্গ করে। কিন্তু তারা আবার অনেক কিছুই গোপন করে।

#ঠোট:‌ পুরু ঠোঁট- এমন ঠোঁট নিজের আনন্দের ও অন্যের ইর্ষার কারণ হয়ে থাকে। এমন ঠোট যাদের থাকে, তাঁরা অত্যন্ত ভাল মানুষ হয়। সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতে জানেন। আবার খুবই আত্মবিশ্বাসী হয়েও থাকেন।

*সরু ঠোঁট- এরা খুবই স্বনির্ভর হয়ে বলে নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এরা ভালই দিতে পারেন। তবে এরা একটু মাথা গরমে হন। এদের যে কোন ক্ষেত্রে একটু মাথা ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন।

*চওড়া ঠোঁট- এমন মানুষরা ঘর আলো করে থাকেন। যেখানে থাকেন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। এরা কথা বললে উল্টো দিকের মানুষের কাম জাগবেই। এমন একজন বন্ধু, যার সঙ্গে রাত দু’টোর পরও জমিয়ে আড্ডা দেওয়া যায়।

*মোটা ঠোঁট- খেয়াল করবেন অনেকের ঠোঁটের মাঝের অংশটি একটু বেশিই ফোলা থাকে। এমন নারীরা একটু নয় অনেকটাই ড্রামা কুইন হয়ে থাকেন। নিজেই নিজের ফেভারিট। ঠিক ‘জব উই মেট’-এর করিনা কাপুরের মতো। তোয়াজ জিনিসটা এদের খুবই পছন্দের।

*ধনুকের মতো ঠোঁট- একে বলে ‘কিউপিড লিপস’। এমন ঠোঁটের মেয়েরা খুবই চটপটে হয়ে থাকে। আবার সৃষ্টিশীলও হয়। কেবলমাত্র মিষ্টি কথার জাদুতে কারও হাত থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নিতে পারে। একটু সাবধান থাকবেন। যে কোনও মুহূর্তে আপনাকে বিপদে ফেলে দিতে পারে।

*সোজা ঠোঁট- কোন কিউপিড-এর খাঁজ নেই, ঠোঁটের উপরিভাগ সমান। এমন মেয়েরা ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়। কথার রাশ কোথায় টানতে হয় এরা জানে না। তবে বেশ সহানুভূতিশীল হয়ে থাকে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে লাভ-ক্ষতি দেখে না এমন মেয়েরা।

আরো খবর »