এই তরুণীর কাণ্ডে আদালত পাড়ার সবাই হতবাক! এ কেমন নারী?

Feature Image

চিৎকারে ছুটে আসেন আইনজীবী, সাংবাদিক, বিচারপ্রার্থীসহ আশপাশে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে ভাই-বোন। ভাইয়ের বয়স ১০ বছরের কাছাকাছি আর বোনের ১৩-১৪ মাঝামাঝি। কিছুতেই মাকে চলে যেতে দেবে না তারা।

অপরদিকে তাদের মা মিতু চিৎকার করছে সন্তানদের ফেলে রেখে প্রেমিকের কাছে যাওয়ার জন্য। এমন করুণ ও হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি হয়ত সিনেমাতে কেউ কেউ দেখলেও বাস্তবে কারও দেখা হয়নি। সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া নাজিরা আক্তার মিতু ও তার দুই শিশু সন্তানের মধ্যে সোমবার (২১ মে) বিকালে নারায়ণগঞ্জ সদর কোর্ট জিআরও বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

কোর্ট পুলিশের এসআই হানিফ মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নাজিরা আক্তার মিতু তার স্বামী উইসুফ মিয়া ও তাদের দুই সন্তান নিয়ে ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন।

এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক আবুল হোসেন সজিবের সঙ্গে পরকীয়ায় ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামী রেখে রূপায়ণ টাউন থেকে মিতু পালিয়ে যায়। পরে ২৬ এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় পুলিশ রোববার বিকালে মিতুকে উদ্ধার করে।

এরপর সোমবার নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালতে মিতু জবানবন্দিতে বলেন, তাকে কেউ অপহরণ করেনি সে স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক দিয়ে সজিবের কাছে চলে গিয়েছে। পরে আদালত মিতুকে তার নিজ জিম্মায় মুক্তি দেয়।

আরো খবর »