কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন

Feature Image

শিশু দেব দত্ত হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে পুলিশ সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে
.. পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান

কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবারের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র দেবদত্ত অপহরনের পর ১৬দিন ধরে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে সন্দেহভাজন আসামী গ্রেফতার ও তাদের শিকারক্তিতে একই গ্রাম থেকে মাটির নিচে পুতে রাখা বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আসামী নাইম ও জোয়ার কে নিয়ে অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ বের হলে আগে থেকে ওৎ পেতে সন্ত্রাসীরা আসামীদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশকে লক্ষ করে গুলি বর্ষন করে এতে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে বন্ধুকযুদ্ধে আসামী নাইম ও জোয়ার নিহত হয়।

পুলিশ এখানেই থেমে থাকে নিশিশু দেব দত্তের অপহরন চক্রের মূলৎপাটনে দিন রাত্রী অভিযান অব্যাহত রাখে। পুলিশের সাড়াশী অভিযান অব্যাহত থাকায় অপহরন চক্রের আরো এক কুখ্যাত সদস্য সবুজ নামের আসামী গ্রেফতার হয়। অপহরনকারী চক্রের কুখ্যাত সদস্য সবুজ গ্রেফতারের পর ১৬৪ ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট শিকারক্তি মুলক জবানবন্দী প্রদান করে। সেখানে শিশু দেব দত্তকে কিভাবে অপহরণ, হত্যাসহ সকল তথ্য প্রদান করে। গতকাল কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এস এম মেহেদী হাসান, বিপিএম, পিপিএম (বার) এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, শিশু দেব দত্ত হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে পুলিশ সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছে। ঈদের আনন্দ উৎসব ত্যাগ করে, নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে বিরামহীন পরিশ্রম করেছে পুলিশ। শুধু একটি শিশুকে বাঁচানোর জন্য, উদ্ধারের জন্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমরা অপহৃত স্কুল ছাত্র দেবকে জীবিত উদ্ধার করতে পারিনি। তবে অপহরণের সাথে সাথে তাকে হত্যা না করলে অবশ্যই জীবিত পেতাম। অপহরণের সকল রহস্য উন্মোচন করতে পেরেছি এটা আমাদের কম সাফল্য নয়। ভবিষ্যতে আর মানুষ যাতে অহরণ না হয় তার জন্য এই অভিযান দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আর অপহরণকারী যেই হোক তার ক্ষমা নেই, মুক্তি নেই। পুলিশের উপর গুলি করে কোন অপরাধী পার পাবে না। মিরপুরেও তা প্রমাণ হয়েছে। কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব-কেপিসি ও সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা এতে উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর »