সাবধান! শিশুর এই ৫ ধরনের ছবি ভুলেও পোস্ট করবেন না

Feature Image

নিউজ ডেস্ক : সোশ্যাল মিডিয়ায় শিশুদের বিভিন্ন কীর্তিকলাপ দেখতে কে না ভালবাসে। হাসি-খুশি মিষ্টি মুখের শিশুদের ছবি-ভিডিও তাই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হতেও বিশেষ সময় লাগে না। কিন্তু সাবধান! ছবি পোস্ট করার আগে অবশ্যই বাছবিচার করে নিন। এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনওরকম ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। মনে রাখবেন, এর সঙ্গে জড়িয়ে আপনার শিশুর ভবিষ্যত এবং নিরাপত্তা। তাই জেনে নিন অনলাইনে বাচ্চাদের কোন ধরনের ছবি না দেওয়াই শ্রেয়।

নগ্ন ছবি:
শিশুদের শরীর ও মন ফুলের মতোই নিরীহ-কোমল। কিন্তু সমাজের কিছু বিকৃতকামদের মনে কী ঘুরপাক খায়, কে বলতে পারে। তাই নগ্ন অবস্থায় শিশুদের স্নান বা খেলাধুলোর ছবি পোস্ট না করাই ভাল। আপনার অজান্তে সেসব ছবির অপব্যবহারও হতে পারে।

অসুস্থতার ছবি:
সন্তান অসুস্থ থাকলে অনেকেই সে ছবি পোস্ট করে ভারচুয়াল দুনিয়ার বন্ধুদের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেন। ভেবে দেখুন। তা কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। কখন আপনার শিশু বাড়ি থাকছে, আপনি তার জন্য কতক্ষণ কর্মস্থলে থাকতে পারছেন না, সে সব খবরই ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে। ফলে আপনার গতি-প্রকৃতির উপর নজর রাখা বেশ সহজ হয়ে দাঁড়ায়। আর শিশু বিশেষজ্ঞরা সোশ্যাল দুনিয়া থেকে ব্যক্তিগত জীবনকে দূরে রাখার পরামর্শই দিচ্ছেন।

বকাবকি কিংবা হেয় করার ছবি:
আপনার শিশু স্কুলে বকা খেলে কিংবা বন্ধুরা তাকে নিয়ে মশকরা করলে, সেসব ছবি দিয়ে ভারচুয়াল দেওয়াল না ভরানোই ভাল। আপনি তাঁকে বকলে তা চার দেওয়ালের মধ্যেই আবদ্ধ থাকুক। কারণ এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলে তার মনের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। ভাবতে পারেন, ঠিক-ভুল ভাবার মতো সন্তানের এখনও বয়স হয়নি। কিন্তু এ ধারণা ভুল। বড় হয়েও সে ছবি সে দেখতে পাবে। তাছাড়া বন্ধুমহলে সে ছবি পৌঁছালে তার আত্মবিশ্বাসেও জোর ধাক্কা লাগতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্যের ছবি:
সন্তানের স্কুলের পোশাক পরা ছবি কিংবা পড়াশোনার বোঝা বোঝানোর চক্করে একগুচ্ছ স্কুল পাঠ্যের ছবি পোস্ট করে দিলেন। এতেও কিন্তু বিপদ লুকিয়ে। এমন ছবি প্রকাশ্যে এনে অপহরণকারীদেরই সুবিধা করে দিলেন আপনি। শুধু নিজেরই নয়, আপনার সন্তানের বন্ধুদেরও এমন ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত রাখুন।

শৌচালয়:
শিশুর শৌচকর্মের ভিডিও বা ছবি দেখে নেটিজেনরা বেশ মজাই পান। শৌচালয়ে তাদের নানা কাণ্ডকারখানা দেখতে মন্দ লাগে না। সাবধান হোন। সন্তানের শৌচকর্মের ছবি পরবর্তীকালে তাদের লজ্জায় ফেলে দেয়।

আরো খবর »