পলাশ ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন: সিমলা

Feature Image

বিনোদন প্রতিবেদক : বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে কমান্ডো হামলায় নিহত পলাশ আহমেদকে নিয়ে যখন হইচই, তখন একটি নাম সামনে চলে আসে। পলাশের অপকর্ম ছাপিয়ে সবার আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠেন ঢালিউডের আলোচিত নায়িকা সিমলা।

সিমলা ছিলেন বিমান ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশের স্ত্রী। ১৯ বছরের জুনিয়রকে বিয়ে করে সুখের ঘর বাঁধতে চেয়েছিলেন এই সুদর্শনী। কিন্তু মাত্র ৮ মাস টিকে ছিল তাদের রঙিন সংসার। এর পরই তাদের প্রেমে ভাটা পড়ে। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন সিমলা।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পরিচয় হওয়ার ঠিক কয়েক মাস পর, ২০১৮ সালের মার্চ মাসের ছয় তারিখে পলাশকে বিয়ে করেন সিমলা। ৮ মাস সংসার করার পর সিমলার উপলব্ধি হয় এই ছেলের সঙ্গে তার আর এক ছাদের নিচে থাকা হয়ে উঠবে না। তাই ওই বছরই ৩ নভেম্বর তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।

পলাশের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বর্তমানে মুম্বাইয়ে অবস্থানরত এ নায়িকা গণমাধ্যমকে বলেন, পলাশকে ডিভোর্স দেয়ার মূল কারণ ছিল- আসলে তার মানসিক সমস্যার জন্য। অনেক সময় তার কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। সে আমার সঙ্গে অনেক মিথ্যা বলত। সব মিলিয়ে তার সঙ্গে সংসারটা আমার করা হয়নি।

পলাশের বিমান হামলার চেষ্টার ঘটনা কখন জানলেন, এমন প্রশ্নে সিমলা বলেন, আমি যেখানেই থাকি না কেন বাংলাদেশের খবর দেখি। কয়েক দিন ধরে চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা কষ্ট দিচ্ছিল। এরই মধ্যে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে আমি খবর দেখছিলাম। দেখলাম বাংলাদেশে একটি বিমান ছিনতাইয়ের অপচেষ্টা করেছে এক যুবক। আর সে যুবক কিনা বাংলাদেশের এক নায়িকার ব্যর্থ প্রেমিক। তার কিছুক্ষণের মধ্যে টিভির স্ক্রিনে আমার নাম ভেসে আসে। যখন জানতে পারি ওই বিমান ছিনতাইকারীর নাম পলাশ, আমি কিন্তু অবাক হইনি। কারণ ওর দ্বারা এসব কাজ করা অসম্ভবের কিছু নয়।

পলাশের সঙ্গে সিমলার বিয়েবিচ্ছেদের কারণ হিসেবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দাম্পত্যজীবনে সুখী হতে না পারা, মনের অমিল, দুজনের বনিবনা না হওয়া, পারিবারিক অশান্তি এবং সিমলাকে পলাশের মানসিক নির্যাতন।

প্রসঙ্গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে পলাশ আহমেদ। সেনাবাহিনীর সদস্যদের ৮ মিনিটের কমান্ডো অভিযানে পলাশ নিহত হন।

আরো খবর »