নাটকের পর্দায় বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

বিনোদন প্রতিবেদক: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির ইতিহাসে ঘটেছিল এক কলঙ্কজনক ঘটনা। নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর তার পরিবারকে। এরপর প্রতি বছর ১৫ আগস্ট বাঙালির হৃদয়ে শোক আর কষ্টের দীর্ঘশ্বাস হয়ে ফিরে আসে। এই সত্য ঘটনা অবলম্বনে গল্প লিখেছেন সহিদ রাহমান। নাম ‘মহামানবের দেশে’। এবার এই গল্প অবলম্বনে কাহিনিচিত্র তৈরি করেছেন মান্নান হীরা। লিখেছেন ও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। কাহিনিচিত্রের নাম ‘ইতিহাসের কৃষ্ণপক্ষ’। চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে ১৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে।

সম্প্রতি ঢাকার অদূরে পুবাইল ও উত্তরায় শুটিং হলো এই কাহিনিচিত্রের। এতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, ফজলুর রহমান বাবু, শর্মিমালা, মোমেনা চৌধুরী প্রমুখ।

মান্নান হীরা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড সাধারণ মানুষের ওপর কী প্রভাব ফেলেছিল, যা কখনো ইতিহাসে লেখা হয়নি, আমি শুধু সেই ছবিটা দেখাতে চেয়েছি।’

এই কাহিনিচিত্রে একজন সাধারণ কৃষক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল। যুদ্ধ করেছিল। কিন্তু সে বঙ্গবন্ধুকে দেখেনি। সে জানতে পেরেছে, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে আসবেন। তাকে দূর থেকে এক নজর দেখার জন্য সে ঢাকায় আসছে। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। এই মুক্তিযোদ্ধার চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমি ঢাকায় ছিলাম না। এই কাহিনিচিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে মনে হয়েছে, আমি যেন সেই মুক্তিযোদ্ধা, ফিরে গেছি সেই সময়। এই অনুভূতি বলে বোঝানো যাবে না।’

তারিক আনাম খান বলেন, ‘আমি নিজে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তাই এই কাহিনিচিত্রে কাজ করতে গিয়ে বার বার মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়ে ফিরে গেছি।’

শর্মিমালা বলেন, ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা তার প্রেমিকা বা স্ত্রীকে ছেড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে যুদ্ধে গেল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকে এক নজর দেখার জন্য গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে গেল। খুবই আবেগি গল্প, মন দিয়ে কাজ করেছি।’

সহিদ রাহমান বলেন, ‌‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কতটা তীব্র ভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়েছিল, আমার গল্পে তা–ই দেখানোর চেষ্টা করেছি।’

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »