রোগা হওয়া কোনও ক্রেডিট নয়, বরং খারাপ!

Feature Image

ওয়েব ডেস্ক : স্কুলের কোডনেম ছিল টুথপিক। কলেজে হল বাঁশকাঠি। ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বন্ধুরা হেসে ফেলল। বলল, বাঁশের গায়ে দড়ি জড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্যের এরকম মাইনাস জ়িরো হালথ অনেক মেয়েরই। এদিকে মাখনটা, মেওনিজ়টা, কলাটা, আমটা, কোনও ক্যালোরিযুক্ত খাবারেই না নেই। লোকে বলে, মেয়ের খাদ্যনালী ওয়ান ওয়ে। মুখ দিয়ে ঢুকে সোজা বেরিয়ে যায় পরদিন সকালে। বাইপাস করে চেহারায় একফোঁটাও লাগে না। একেকবার নিজেকে দেখে মেয়ে কেঁদে ফেলে – একটু মেদ, একটু কোমরের কার্ভ, কিচ্ছু নেই। স্তনেও ফ্যাট নেই। এহেন অবস্থায় বেজায় রোগা মেয়ের দুঃখ সামলানো দায়। কোনও পুরুষ তাকে চায় না। বিষণ্ণতা চরমে। একটু রোগা যাঁরা, চেহারায় লালিত্য আনতে পারেন এই ৬টি উপায়ে –

 

১] শিগগির নিউট্রিশনিস্টের কাছে অ্যাপয়েনমেন্ট করিয়ে নিন। দেরি করবেন না। কেননা, তিনিই আপনার দেহ পর্যবেক্ষণ করে বলবেন কোথায় সমস্যা। কেন স্বাস্থ্যবতীর তকমা পাচ্ছেন না আপনি। সেইসঙ্গে তিনি বলে দেবেন, আপনার উচ্চতা অনুযায়ী কতখানি ওজন হওয়া উচিত। আপনাকে ডায়েট চার্টও দিয়ে দেবেন তিনি।

২] মোটা হওয়ার তড়নায় একসঙ্গে অনেক পরিমাণ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে শুরু করবেন না। ধীরে ধীরে ক্যালোরির পরিমাণ বাড়ান। শরীরকে সেই ক্যালোরির সঙ্গে ধাতস্থ হতে দিন।

৩] ওজন বাড়ানোর জন্য জাঙ্ক খাবার খাওয়া শুরু করবেন না। তাতে মোটা হবেন নির্দ্বিধায়, কিন্তু স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শরীরের কিছু অংশে মেদ জমবে, যেমন কোমরে বা হিপে। বেঢপ ভুঁড়িও হতে পারে। সেটা মোটেও ভালো দেখতে লাগবে না।

৪] একসঙ্গে অনেকটা খাবেন না। তাতে কোনও লাভ নেই। খাবার ভালো মতো হজম হবে না। শরীরে মেদ লাগবে না। তাই কম গ্যাপে ছোটো ছোটো মিল খাওয়া শুরু করে দিন। ৩ বারের মিলটাকে ৬ বারে ভাগ করে নিন। প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর খাওয়া শুরু করুন।

৫] জল খাওয়ার পাশাপাশি ফলের রস, চকোলেট শেক খাওয়া অভ্যেস করতে হবে। কলা, আম বা অ্যাভোকাডোর শেক খাওয়া শুরু করুন।

৬] এ ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে, যে এক্সারসাইজ় কেবল স্বাস্থ্যবতীরাই করেন। কিন্তু এটা কি জানেন, মোটা হওয়ার জন্যও নিয়মিত এক্সারসাইজ় করতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। তাই নিয়মিত এক্সারসাইজ় শুরু করে দিন। স্বাস্থ্যবতী হওয়ার সঙ্গে সুস্বাস্থ্যের অধিকারীও হয়ে উঠবেন।

আরো খবর »