ভিডিওধারণকারী ও মামলার বাদীকে দেখে নেয়ার হুমকি

Feature Image

কুষ্টিয়া থেকে কাজী মাজহারুল ইসলামঃ   কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে গাছে ঝুলিয়ে দুই শিশু নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এলাকার প্রভাবশালীরা। মামলার বাদী রব্বেল ও গোপনে নির্যাতনের ভিডিওধারণকারী আশরাফুলসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীকে হুমকি দেয়া হচ্ছে।

 

বিষয়টি কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল খালেককে জানানো হয়েছে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়েছেন। এদিকে শিশু নির্যাতনের মামলায় গ্রেফতার আসামি তানজিল ও তার শাশুড়ি রোকেয়া খাতুনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠায় কুমারখালী থানা পুলিশ। পরে আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার অপর আসামি মিরু পলাতক রয়েছে।

নির্যাতনের শিকার এক শিশু জুয়েলের বড় ভাই ও মামলার বাদী রব্বেল  বলেন, ‘আমাকে অব্যাহতভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে তানজিল জেল থেকে বের হয়ে জুয়েল ও আমাকে বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে তানজিলের আত্মীয় হাফিজুল ও তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে।

 

ঘটনার আরেক হোতা মিরু পলাতক থেকেও মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।’
গোপনে ভিডিওধারণকারী স্থানীয় যুবক আশরাফুল বলেন, ‘আমি প্রচণ্ড হুমকির মধ্যে রয়েছি। আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। তানজিলের পরিবারের সদস্যরা আমার বোন ও বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছে। পুলিশ এলাকায় এসেছিল। হুমকির বিষয়টি আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।’

জানতে চাইলে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল খালেক বলেন, ‘হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে জানতে পেরে পুলিশ ফোর্স নিয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পুলিশ সার্বক্ষণিক এলাকায় খোঁজখবর রাখছে। পলাতক আসামি মিরুকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

বুধবার বিকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়া চরমণ্ডলপাড়া এলাকায় মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে সাত বছরের এতিম শিশু জুয়েল ও আসিফকে আমগাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে জখম করে স্থানীয় তানজিল, তার শাশুড়ি রোকেয়া খাতুন ও মীর আক্কাস ওরফে মিরু।

আরো খবর »