খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স শিশু শরিফকে হাসপাতালে ভর্তি হতে সময় লাগল ৬ঘন্টা

Feature Image

কু্ষ্টিয়াঃ  খোকসা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া ব্রাদার্স মনিরুল ইসলামের অবহেলায় রাত ৩টায় হাসপাতালে এসে ভর্তি হলেন সকাল ৯টায়। ভর্তি হওয়ার আবেদনে ৬ঘন্টা পর জৈনক সাংবাদিকের সুপারিশে খোকসা হাসপাতাল কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান সোহেল এর নির্দেশে ভর্তি হয় অসুস্থ্য শিশু রোগী শরীফ (১৪)। জানা গেছে জানিপুর ইউনিয়নের বিশোয়া গ্রামের জালাল উদ্দিন এর ছেলে শরীফ (১৪) গত ৪দিন আগে প্রচন্ড জ্বরে ভূগছিল। গতকাল শনিবার রাত ২টার দিকে প্রচন্ড জ্বর ও খিচুনি দেখে শরীফ এর বাবা জালাল উদ্দিন দ্রুত চিকিৎসার জন্য খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স -এ নিয়ে আসে।

 

জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত জৈনক ডাক্তার (দাবী করে) মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রাথমিক চিকিৎসা পত্র দিয়ে বাড়ী চলেযেতে বলে। অসুস্থ্য শিশু রোগী শরীফের পিতা জালাল উদ্দিন জানান ছেলে অস্বস্তি বৃদ্ধিপেলেও হাসপাতালে ভর্তিকরার অনুরোধ জানালেও অজ্ঞাত কারণে আমার ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি না করে বাড়ী চলে যেতে বলে। অসুস্থ্য ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে জরুরী বিভাগের বারান্দায় সকাল ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করি।

 

পরে জৈনক সাংবাদিক এর কাছে ঘটনা জানালে সাংবাদিকের অনুরোধে হাসপাতালের ডাক্তার কামরুজ্জামান সোহেল এর নির্দেশে ডাক্তার অনুপ কুমার শিশু রোগিকে ভর্তি করে নেন। এই সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে শিশু শরীফের মা কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন চিকিৎসা বিনে আমার ছেলে মারা গেলে আজ আমি কি করতাম? ৬ঘন্টা অপেক্ষ করে অবশেষে আপনাদের সহযোগিতায় ডাক্তার সাহেব হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। অসুস্থ্য শিশু রোগী শরীফ জানায় খোকসা জানিপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভকেশনাল সেকশনের নবম শ্রেণীর ছাত্র আমি। আমি ওয়েল্লিংট্রেডে লেখাপাড়া করি আমার রোল নম্বর ১৩ বর্তমানে আমার জ্বর একটু কমেছে। তবে মাথা উচুকরে বসতে পারছি না।

 

রাতে জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত জৈনক (ডাক্তার) মনিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানতে চালে হাসপাতাল কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ কামরুজ্জামান সোহেল জানান উক্ত ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের কাছ থেকে সকালে জেনেই দায়িত্ব রত ডাক্তার অনুপ কুমারকে বলে অসুস্থ্য শিশুটিকে ভর্তি করেছি। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

 

আরো খবর »