লালমনিরহাটে বন্যার পানিতে নিখোঁজ ৩ জনের লাশ উদ্ধার

Feature Image

লালমনিরহাট থেকে জিন্নাতুল ইসলাম জিন্নাঃ  লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ধরলার তীরে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পথে ভেলা ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় চারজনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হলো। রোববার বিকেলে উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নে পূর্ব বড়ুয়া গ্রামে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলো- পূর্ব বড়–য়া গ্রামের আবু হানিফ আলিফ (৩৫), তার ছেলে নাদিম বাবু (৪), একই এলাকার মোজাম উদ্দিন ওরফে রবিউল (৪৫) ও তার স্ত্রী আছমা বেগম (৪০)।
সোমবার (১৪ আগষ্ট) সকালে সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়ন থেকে ১০/১২ কিলোমিটার দুরে পাশর্^বর্তী বড়বাড়ি ইউনিয়নের কলাখাওয়া ঘাট এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা স্থানীয় জানায়, ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় এক সপ্তাহ ধরে কুলাঘাট ইউনিয়নের পূর্ব বড়ুয়া গ্রাম পানির নিচে। এ অবস্থায় অনেকেই বসতবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যাচ্ছেন।

 

রোববার বিকেলে ওই গ্রামের আবু হানিফ আলিফ, তার ছেলে নাদিম বাবু এবং একই এলাকার মোজাম উদ্দিন ওরফে রবিউল ও তার স্ত্রী আছমা বেগম কলার ভেলা বানিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হঠাৎ করে ধরলা নদীর পানির প্রচন্ড ¯্রােতে তাদের ভেলা ডুবে যায়। এ ঘটনায় চারজনই নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে রাতেই শিশু নাদিমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও বাকী তিনজনের কোন সন্ধান মেলেনি।

খবর পেয়ে লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েও তাদের কোন সন্ধান করতে পারেনি। আজ (সোমবার) সকালে ১০/১২ কিলোমিটার দুরে পাশর্^বর্তী বড়বাড়ি ইউনিয়নের কলাখাওয়া ঘাট এলাকায় বাকি তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী সোমবার বিকেলে লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবার্তাকে জানান, বাবা-ছেলেসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু এই ইউনিয়নটি পানির নিচে তলিয়ে থাকার কারনে অন্য জায়গায় দাফনের চেষ্টা চলছে।

 

আরো খবর »