জয়পুরহাটে তুলসীগঙ্গা নদীর পানি বিপদ সীমার ৫৮সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত

Feature Image

জয়পুরহাট : জয়পুরহাটে তুলসীগঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৫৮সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে ছোট যমুনা, হারাবতী ও তুলসীগঙ্গা নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেয়ে জেলার প্রায় ৬০টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। এসব গ্রামের প্রায় ৩০হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান ও শাক-সবজি। জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের বানিয়াপাড়া ও পল্লী বিদ্যুত এলাকায় প্রায় ৫শ’ মিটার রাস্তা হাঁটু পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোফাখ্খারুল ইসলাম জানান- বুধবার জেলার প্রায় ৬০টি গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে আর এসব গ্রামের প্রায় ৩০হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পরেছে।

কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক সুধেন্দ্রনাথ রায় জানিয়েছেন- জেলার প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান ও শাক-সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে, জেলার ১শ ৬৩ হেক্টর মৎস্য ক্ষেত্র থেকে প্রায় ৬১ মেঃটন মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এছাড়াও প্রায় ৫শত টি কাঁচা ঘর এবং ৫০ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মারজান হোসেন জানান- তুলসীগঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৫৮সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ছোট যমুনা ও হারাবতী নদীর পানি বৃদ্ধি এখনো অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বিকালে জেলা প্রশাসক মোকাম্মেল হক এর সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বন্যায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রণয়ন এবং মৎস্য কৃষি সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগ বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরপন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাধ রক্ষার কাজ চলমান আছে তা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে গুরুত্বারপ করা হয়।

 

আরো খবর »