ছাগল পালনে রাকিব হোসেনের অনুকরনিয় হতে পারে

Feature Image

কুষ্টিয়া থেকে হুমায়ুন কবির: ছাগল পালন করে রাকিব হোসেনের শিক্ষার ব্যবস্থা হয়। বাবার কাছ থেকে পাওয়া টাকা নিয়ে মায়ের সহোযগিতায় একটি ছাগল কিনে লালন পালন শুরু করে গত ১ বছর আগ থেকে।

কু্ষ্টিয়া কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামের মোঃ সিদ্দিক শেখের কৃষক পরিবারের ৩ সন্তানের বড় সন্তান মোঃ রাকিব হোসেন।
স্থানিয় হাসিমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র।
সাংসারিক আর্থিক দোন্যতায় বাবার কাজের ফাঁকে মায়ের অনুপ্রেরনায় ছাত্র রাকিব হোসেন ছাগল পালন করা শুরু করে।

উদিয়মান শিক্ষিত ও কর্মঠো রাকিব হোসেন কে দারিদ্রতা বাধা হয়ে দাড়াতে পারেনি শিক্ষার কাছে। নিজের ইচ্ছায় স্কুলের সময় পার করে বাড়ি ফিরে ছাগল চরায় মাঠের চারন ভুমিতে। উদ্দোমি ছাত্র রাকিব হোসেন ছাগল পালনে কোন সমস্যা হলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করে।
মহান আল্লাহ তার সহায় হয়। প্রথম বছরে একটি ছাগল থেকে ২ টা বাচ্চা হয়। এবার উক্ত ছাগল গত ১৩ আগষ্ট ১৭ ইং তারিখে একে একে ৫ টা বাচ্চা হয়। বাচ্চাগুল সুস্থ্য আছে। ভাগ্যের দোয়ার খোলে ছাত্র রাকিব হোসেনের। বাধ ভাঙ্গা আনন্দোর জোয়ার নেমে আসে রাকিবের পরিবারে। এখন স্কুলের সময় বাদে রাকিব হোসেন তার ছাগল কে নিয়ে চলে তার বাকি সময়।

রাকিবের মায়ের ভাষায় গরিবের গাভী আমাদের এ ছাগল পালন করেই সংসার চলে। রাকিব হোসেনের বাবা কুমারখালী বাজারে দর্জির কাজ করেন। ৩ সন্তানের মধ্যে বড়ছেলে রাকিব হোসেন খুবই কর্মঠো। রাকিবের ইচ্ছায় ছাগল পালন ও কৃষি কিছু কাজ করেই আমাদের সংসার চলে।
রাকিবের গৃহ শিক্ষক মোঃ হাসান আলী বলেন, বেশ মেধাবী ও উদ্দোমি কর্মঠো রাকিব হোসেন বরাবরই বাবার অভাবের সংসারে নিজেকে স্বাবলম্বী হতে সচেষ্ট ছিল। ওর মায়ের অনুপ্রেরনায় একটি ছাগল থেকে অনেক গুল ছাগল ওদের বাড়িতে। অভাবের সংসারে প্রয়জনে ছাগল বিক্রয় করে বাবার সংসার ও লেখাপড়ার প্রয়োজন মেটান হয়।

আমি রাকিব হোসেনের ছাত্র জিবন থেকে সঞ্চয়ী মনোভাব ও কর্মে একাগ্রতায় উচ্চ আসনে আসিন হোক এ দোয়া করি।
সমাজের অনেক অসচ্ছল পরিবারে অর্থের অভাবে লেখাপড়া থেকে ঝরে পড়ে।
ছাত্র রাকিব হোসেনের ছাগল পালনই এ সকল সমস্যার অনুকরনিয় হতে পারে।

আরো খবর »