আবারো ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান

Feature Image

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট): বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান আবারো ঘুষ গ্রহনের ৪লক্ষ টাকা ফেরত দিলেন। এ ব্যাপারে জাকির হোসেন উক্ত শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক, বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপ-পরিচালক খুলনা এর বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার ৭২ নং নেহালখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। তার প্রেক্ষিতে গত ১০ আগষ্ট লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার দিন ধার্য হয়। তার পর থেকে বিভিন্ন শিক্ষক নেতাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নেহালকালী গ্রামের মো: জাকির হোসেন শেখ এর ছেলে মোঃ রাসেল হোসেন শেখ কে চাকুরী দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে জনৈক শিক্ষক নেতার মাধ্যমে ৪ লক্ষ টাকা অবৈধ ভাবে লিখিত পরীক্ষার পূর্বেই উক্ত টাকা গ্রহন করেন।

ব্যাপারটি উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান তারা অবগত হন এবং তাদের হস্তক্ষেপে শিক্ষা অফিসার তার পছন্দ মত প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে ব্যার্থ হন। ভেঙ্গে যায় তার স্বপ্ন। ফেরত দিতে হয় ঘুষের ৪লক্ষ টাকা।
এ ব্যাপারে মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আমাকে ১০ আগষ্ট লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পূর্বেই টাকা দিতে হবে বলে চাপ দেন। আমি কোন উপায় না দেখে জমি বিক্রি করি এবং আমার বিবাহিত বড় মেয়ের শশুরবাড়ী থেকে দেওয়া গহনা মোরেলগঞ্জ বাজারের সুনিল পোদ্দারের কাছে বন্ধক রেখে টাকা এনে শিক্ষা কর্মকর্তার চাহিদা মতো ৪লক্ষ টাকা ঘুষ পরোশাধ করেও চাকুরী না পেয়ে তাকে চাপ দিলে ঘুষ গ্রহনের টাকা তিনি শিক্ষক নেতাদের মাধ্যমে ফেরত দিয়ে দেয়।
এ নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে রাসেল শেখ বাদী হয়ে বাগেরহাট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, নিয়োগের ব্যাপারে আমি কোন টাকা গ্রহন করিনি। যারা নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন তাদের যাকে ভাল লাগছে তাদের কে নিয়োগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৯ ও ১০ আগষ্ট/১৭ মোরেলগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে শিক্ষকদের বেতন বিল করানোর ব্যাপারে ঘুষ গ্রহন ও ঘুষের টাকা ফেরত দেয়া সংক্রন্ত বিভিন্ন পত্রিকায় একাধীক সংবাদ প্রকাশিত হয়।##

আরো খবর »