১৩২ কেভি গ্রীড সঞ্চালন লাইন পিরোজপুরে কঁচা নদীর ওপর ‘রিভার ক্রসিং টাওয়ার’ হুমকীর মুখে, এলাকাবাসি আতঙ্কে

Feature Image

পিরোজপুর:  পিরোজপুরের কঁচা নদীর ওপর দন্ডায়মান ১৩২ কেভি পাওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন ‘রিভার ক্রসিং টাওয়ার’ নদীর প্রবল ভাঙ্গনের মুখে পতিত হওয়ায় চরম আতঙ্কে পড়েছেন সদর উপজেলার শারিকতলা-ডুমরিতলা গ্রামের অন্তত সহ¯্রাধিক মানুষ। এর পাশেই রয়েছে অত্যন্ত পূরাতন গাজীপুর নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কচা নদীর তীব্র ¯্রােতের ফলে প্রতিদিনই অত্র এলাকার বসত বাটি, রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদী গর্ভে।

সরেজমিনে দেখাগেছে, বাগেরহাট-পিরোজপুর হয়ে ভাÐারিয়া বিদ্যুতের সাবষ্টেশন পর্যন্ত ১৩২ কেভি সম্প্রসারিত গ্রীড লাইনে পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা-ডুমরিতলা ইউনিয়নের গাজীপুর অংশ থেকে কচা নদীর ওপার ভাÐারিয়া উপজেলার ভিটাবাড়িয়া অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। কঁচা নদীর দুই পাড়ের ক্রসিং টাওয়ার পর্যন্ত গ্রীড সঞ্চালন লাইনের দূরত্ব এক দশমিক দুই কিঃমিঃ। কিন্তু গাজীপুর অংশের টাওয়ারটি কঁচা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের ফলে নদীর পাড় থেকে অন্তত প্রায় ৩শ’ ফুট গভীরে চলে যাওয়ায় ভেঙ্গে পড়ার আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় অধিবাসিরা।

 

ফলে এলাকাবাসি ও নদীতে চলাচলকারি বিভিন্ন ধরনের নৌযান দিন-রাত আতঙ্কের মধ্যে রিভার ক্রসিং টাওয়ারের নীচ দিয়ে চলাচল করছে। এদিকে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছোট ছোট ছাত্ররা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ওই টাওয়ারের মাথায় উঠে পড়ায় মারাত্মক দুশ্চিান্তায় থাকেন তাদের অভিভাবকরা। টাওয়ারের সঙ্গে বাধা হচ্ছে মাছ ধরা ট্রলার ও ডিঙ্গি নৌকা। ফলে যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

এ ব্যাপারে পাওয়ার বিভাগের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, রিভার ক্রসিং টাওয়ারের কঁচা নদীর পূর্বাংশে গাজীপুর অংশের টাওয়ারটি নদী ভাঙ্গনে অনেক গভীরে চলে গেছে স্বিকার করে বলেন, বর্তমানে সেখানে প্রায় ৭৫ ফুট গভীরতা থাকায় টাওয়ারের গোড়ার অংশে কয়েক বছর আগে ‘ক্যাসন প্রটেকশন’ করা হয়েছে। তবে, এ প্রটেকশন কত বছর পর্যন্ত টেকশই বা লংজিবিটি থাকবে সে ব্যপারে ওই প্রকৌশলী সঠিকভাবে কিছুই বলতে পারেননি।
এস সমদ্দার।

আরো খবর »