আইভী রহমানের ১৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: আমৃত্যু সংগ্রামী নেত্রী আইভী রহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার শিকার হওয়া এই নেত্রীর মৃত্যুটি যেন একটু বেশিই হৃদয়স্পর্শী ছিল।

সে দিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলার সাথে সাথেই দুটি পা উড়ে যায় তার।চারপাশে রক্তের বন্যা বয়ে যায় । এরপর প্রায় ৭২ ঘন্টা মৃত্যুযন্ত্রণা সয়ে অবশেষে ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আইভী রহমান। শেষ হয়ে যায় আমৃত্যু সংগ্রামী এক নেত্রীর জীবনের গল্প।

ষাটের দশকে আইভী রহমানের রাজনৈতিক জীবনের শুরু। নিজ মেধা, প্রজ্ঞা এবং বিচক্ষণতায় দ্রুতই সকলের প্রিয়জনে পরিনত হয়েছিলেন।প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী পরিচয় ছাড়াও নিজের কর্মগুণে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, নারী আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলেনে তার অবদান ছিল অসামান্য।

তার নাম জেবুন্নাহার রহমান আইভি হলেও আইভী রহমান নামে বেশি পরিচিত ছিলেন।শহীদ আইভী রহমান একজন বড়মাপের নেত্রী হয়েও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে মিলে মিশে থাকতেন। নিজ কর্তব্যনিষ্ঠার জন্য তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনির্বাণ শিখা হয়ে জ্বলবেন।

১৯৪৪ সালের ৭ জুলাই ভৈরবের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। বাবা জালাল উদ্দিন আহমেদ ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ও মা হাসিনা বেগম ছিলেন গৃহিণী। তার একমাত্র ছেলে নাজমুল হাসান পাপন বর্তমানে কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি। আইভি রহমানের দুই মেয়ে তানিয়া ও ময়না।

আইভি রহমান ১৯৫৮ সালের ২৭ জুন নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে জিল্লুর রহমানের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। ১৯৮০ সাল থেকে বেশ কয়েক বছর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জাতীয় মহিলা সংস্থা এবং জাতীয় মহিলা সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন।

প্রতিবারের ন্যায় এবারও আইভী রহমানের ১৩তম মৃত্যুবাষির্কীতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো। বাদ আসর আইভী কনকর্ড টাওয়ারে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া মাহফিলে মরহুমার শুভার্থীদের শরীক হওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »