‘বিদ্যুৎ-জ্বালানি এখন লুটের খাত’

Feature Image

স্বাধীনবাংলা২৪.কম

ঢাকা: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এখন লুটের খাত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘কুইক রেন্টাল হচ্ছে আমাদের অর্থনীতির জন্য অভিশাপ। এসব প্রকল্পের পেছনে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের আত্মীয়-স্বজন। তাদের লুটপাটের আরও বেশি সুযোগ করে দিতেই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ-জ্বালানি এখন লুটের খাত।’

বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম অতিশয় চড়া। এর ওপর আবারও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তুতি চলছে। গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে কিছুদিনের মধ্যে দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় বাংলাদেশে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ কমার কথা। কিন্তু বিদ্যুতের দাম না কমিয়ে উল্টো বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। যা নজিরবিহীন এবং গণবিরোধী।’

গত দেড় বছরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৮০ শতাংশেরও বেশি কমেছে দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কিন্তু দেশে এখন পর্যন্ত কমানো হয়নি। ফলে দাম কমার সুবিধা থেকে দেশ বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রতি লিটার অকটেনে উৎপাদন খরচ ৫০ টাকারও কম। সরকার বিক্রি করছে ৯৯ টাকা। পেট্রোল উৎপাদন ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যেও ব্যবধান প্রায় একই রকম।’

তিনি বলেন, ‘সরকার দেশে ডিজেল বিক্রি করছে ৬৮ টাকা লিটার। অথচ ডিজেলের আমদানি মূল্য পড়েছে প্রতি লিটার ৪০ টাকার কম। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস তেল সরকার বিক্রি করছে ৬২ টাকা। ক্রয়মূল্য বর্তমানে ২৫ টাকার মতো।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হওয়ায় জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়িত্ববোধ নেই। তারা একের পর এক জনবিরোধী কার্যকলাপ অব্যহত রেখেছে। বর্তমান দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এখন বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি মেনে নেওয়া হবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বিএনপি নেতা আতাউর রহমান ঢালী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, হাবিব উন নবী খান সোহেল, এম এ মালেক, আবদুস সালাম আজাদ, আমিনুল ইসলাম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনবাংলা২৪.কম/এমআর

আরো খবর »