আলাউদ্দিন নগরে গড়ে ওঠেছে ”শিক্ষা পল্লী পার্ক”

Feature Image

পরিদর্শনকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক জহির রায়হান বলেন, সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ায় যতো মনীষীদের পুণ্যভূমি ও তীর্থস্থান তা নির্নিমেষেই এই এলাকা পর্যটন নগরী ও বিনোদন নগরী হিসাবে গড়ে উঠা এখন সময়ের ব্যাপার।

ব্যতিক্রমধর্মী বহুমুখি বিষয়ে শিক্ষনীয় ও চিত্তবিনোদন প্রকল্পে অধীনে কুমারখালী আলাউদ্দিন নগরে দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ ”শিক্ষা পল্লী পার্ক” নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এখনো অনেক কাজ বাকী রয়েছে তবু যেটুকু হয়েছে তা দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে। বিকালে (০৭.০৮.১৭) কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো: জহির রায়হান, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: শাহীনুজ্জামান সন্ত্রীক, কুমারখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব আল রাব্বি পরির্দশনকালে পার্কের চতুর্পাশ ঘুরে ঘুরে দেখলেন। পুকুরপাড়ে বিদেশী প্রজাতির বর্ণিল মাছের মেলা, শিশুদের নানা ধরনের রা্ইডার, পুকুরে রযেছে কয়েক প্রকার রাইডার।

 

পরির্দশনকালে জেলা প্রশাসক মো: জহির রায়হান বলেন, বিনোদন নগরী হিসেবে কুষ্টিয়ার পরিচিতি নতুন করে আসছে। সম্প্রতি কুমারখালী শহরেরর গড়াই নদীর তীরে গড়ে উঠা গড়াই ইকো পার্ক, প্রস্তাবিত শেখ রাসেল ইকো পার্ক সহ বেসরকারী উদ্যোগে নির্মানাধীন আলাউদ্দিন নগরে স্থাপিত হয়েছে শিক্ষা পল্লী পার্ক। বিনোদনের জন্য যতো বেশি ব্যবস্থা যতো জায়গায় থাকবে মানুষের মস্তিষ্ক ও মনন ততো সুস্থ থাকবে। আর সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ায় যতো মনীষীদের পুণ্যভূমি ও তীর্থস্থান তা নির্নিমেষেই এই এলাকা পর্যটন নগরী ও বিনোদন নগরী হিসাবে গড়ে উঠা এখন সময়ের ব্যাপার। আলাউদ্দিন নগর শিক্ষা পল্লী পার্কের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সুবৃহৎ ও এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে নান্দনিক পার্ক হবে এটি। এখানে নভোথিয়েটার, বিদেশীদের জন্য ফাইভ স্টার হোটেল, পিকনিক স্পট ও গাড়ি পার্কিং এর সুবন্দোবস্ত ইতোমধ্যে হয়েছে।

 

এখানে একসাথে দর্শনার্থীরা প্রবেশমুখে ঐতিহাসিক স্থিরচিত্র, দেওয়ালের গায়ে মহান ভাষা আন্দোলনের ভাষাসৈনিকদের স্থিরচিত্র খানিক্ষণ হলেও দর্শনার্থীদের থমকে দাঁড়ানোর জন্য যথেষ্ট। প্রবেশ মুখে ঢুকে ডান দিক থেকে ১ হাজার নেমপ্লেট পরিলক্ষিত হয়। এক হাজার ইতিমধ্যে লাগিয়েছেন বাকী ৩ হাজার সব পার্কের চতুর্দিকে লাগিয়ে দেওয়া হবে দর্শনাথীদের জ্ঞান বিকাশের জন্য। কোরআন ও হাদিসের বাণীর পাশে দেশ ও বিদেশের বহু মনীষীদের বাণী দিয়ে এই নেমপ্লেট যা সত্যিই সবার জন্য শিক্ষণীয় ব্যাপার। কুমারখালী ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি পরিষদের সম্পাদক লিটন আব্বাস বলেন, বিনোদন নগরী গড়ে তুললে ইতিহাস নগরী খ্যাত নতুন করে আবার নতুনদের মাঝে নবতর পরিচয়েই সৃজিত হবে সাথে পাবে সংস্কৃতির সুপাঠ ও সুস্বাদ।

আরো খবর »