কুষ্টিয়া য় গড়াই নদী ভাঙ্গনে আবারও বিলিন হতে যাচ্ছে কমলাপুর মিয়াপাড়া

Feature Image

কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ  গত বছর নদী ভাঙ্গনে ১৮শতাংশ জমির ১৩শতাংশ চলেগেছে। ৫শতাংশ জমির উপর ৩মেয়ে ১ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে কোনমত জীবন যাপন করছিলাম। এবার আর রক্ষা হলোনা নদীভাঙ্গনে। ঐ দেখেন সবি চলে গেছে নদী ভাঙ্গনে বাকী আছে ঐ ঘরটুকু । এমন করেই বিলাপ করছিল ৬৫ উর্ধ বয়সী ফরিদ মিয়া। ৩ পুরুষের ভিটা বাড়ী সবই চলেগেছে নদী গর্ভে। যেটুকু সম্বল ছিল তাতো দেখছেন চোখের সামনেই ভেঙ্গে যাচ্ছে গড়াই নদীতে।

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার পৌরসভার কমলাপুরের মিয়াপাড়ার গড়াই নদী ভাঙ্গনে সর্বশান্ত হতে চলেছে নতুন ৪টি পরিবার। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বাস্তহারা হবে ৪টি পরিবারের প্রায় অর্ধ শতাধিক মানুষ।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মধ্যে বকুল মিয়া ৮শতাংশ জমির মধ্যে এখন আছে মাত্র ২শতাংশ, ফজলুর রহমান এর ২৮শতাংশ জমির মধ্যে মাত্র ২শতাংশ জেগে আছে। গত বছর গড়াই নদীর উত্তাল তরঙ্গে ১২টি পরিবারসহ প্রায় ২শতাধিক জনগণের বাড়ীঘর ভেঙ্গে নদীর গর্ভে চলেগেছে। গড়াই নদীর পানি হ্রাসের সাথে সাথে তীব্র ভাঙ্গন দেখা গেছে কমলাপুরের মিয়া পাড়া অংশে। কয়েকটি জায়গায় বড় আকাড়ে চাকলা হয়েছে। আবার কিছু কিছু জায়গায় বাড়ীঘরসহ পাড়ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হয়েগেছে।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন কর্মকর্তা জাহেদুল ইসলাম জানান, কুষ্টিয়া -৪ আসনের সাংসদ আব্দুর রউফ গত বছরই ডিও লেটার দিয়েছিল উক্ত কমলাপুর মিয়াপাড়া রক্ষার জন্য। প্রকল্প আকারে প্রধান মন্ত্রীর অগ্রাধীকার প্রকল্পের মধ্যে গড়াই নদীর ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় এই প্রকল্পটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন হলে ভাঙ্গন কবলিত স্থানে স্থায়ী বাধ নির্মাণ করা হবে।

এদিকে খোকসা পৌর মেয়র প্রভাষক তারিকুল ইসলাম তারিক জানান, নতুন করে নদী ভাঙ্গনের খবরটি আমার জানা নাই। আমি যত দ্রুত সম্ভব খোজ খবর নিয়ে ভাঙ্গন কবলিত জনগনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আরো খবর »