মিয়ানমার যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

Feature Image

মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে আগামী সপ্তাহে মিয়ানমার যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপ-সহকারী মন্ত্রী পেট্রিক মারফি। এ সফরকালে তিনি মানবিক সহায়তা সংস্থা ও সংবাদ কর্মীদের রাখাইনের সংঘাতময় এলাকায় যেতে দেয়ার অনুরোধ জানাবেন। মারফি রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যা বা জাতিগত নির্মূল প্রক্রিয়া চলছে কি না তা পর্যালোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র হিদার নোয়ার্ট এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পেট্রিক মারফি গত বৃহস্পতিবার বার্মার রাষ্ট্রদূতকে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্র দফতরে ডেকেছিলেন। বার্মার চলমান ইস্যুতে পেট্রিক মারফিই সবচেয়ে বেশি সক্রিয় এবং ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। মারফি রাষ্ট্রদূতের সাথে বার্মার জটিল পরিস্থিতি নিয়ে বলিষ্ঠভাবে আলোচনা করেছেন।

নোয়ার্ট বলেন, বার্মার সাথে আমাদের জোরালো সংলাপ চলছে। বার্মা সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে সে দেশ নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিয়মিতই আলোচনা করছেন। পেট্রিক মারফিও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন। ইস্যুটিকে আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়েছি এবং কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এই সফরে মারফি বাংলাদেশও যাচ্ছেন কি না – প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে তিনি বার্মা যাচ্ছেন। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে নিরাপদ আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানায় যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারের ভেতরে ও বাইরে থাকা উদ্বাস্তুদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ছয় কোটি ৩০ লাখ ডলার সহায়তা দিয়েছে। এ সহায়তা বাংলাদেশও গ্রহণ করেছে।
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক আসছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ সময় তার সাথে দেখা করবেন কি না জানতে চাওয়া হলে নোয়ার্ট বলেন, এ কর্মসূচি সম্পর্কে আমি অবগত নই।

আরো খবর »