সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের একটি যথার্থ মূল্যায়ন শিরিনা নাহার লিপি

Feature Image

শিরিনা নাহার লিপি ‘৮০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকার রাজপথ কাঁপানো এক তুখোড় ছাত্রলীগ নেত্রীর নাম। ‘৮০ ও ৯০ এর দশকে ঢাবি ক্যাম্পাসে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দোর্দন্ড প্রতাপের মাঝে শিরিনা নাহার লিপির মত গুটি কয়েক ছাত্রলীগ নেত্রী রোকেয়া ও শামসুন্নাহার হলে সু সাংগঠনিক নেতৃত্ব দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পেরেছেন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনকে করতে পেরেছিলেন বেগবান।

সম্প্রতি শিরিনা নাহার লিপিকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের একজন সংসদ সদস্য হিসাবে দলের হাই কমান্ড ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণায় সমগ্র দেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের মাঠ পর্যায়ের সকল নেতা কর্মী সমর্থকগণ। বিশেষ করে খুলনার মেয়ে হিসাবে খুলনা অঞ্চলে শিরিনা নাহার লিপির সিলেকশনকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা,খুলনা থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য এম এ বারী সাহেবের সুযোগ্যা কন্যা এই শিরিনা নাহার। ছাএলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, দুই বার নির্বাচিত ভিপি এ এম নাসিম এর আপন বোন ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, বাগেরহাট জেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান, টুকু’র আপন ভাগনি শিরিনা নাহার লিপি একটি বর্ণাঢ্য ও ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারের সদস্যা।

যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভানেত্রী শিরিনা নাহার লিপি । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজপথে বেড়ে ওঠা এই নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য শিরিনা নাহার লিপি বিএনপির একতরফা ২০০৭ সালে ২২শে জানুয়ারীর নির্বাচন প্রতিহতের আন্দোলনে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী হিসাবে তাঁর ভূমিকা ছিল নজরকাড়া। জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ ও ফখরুদ্দিনের দুই বছরের সেনা শাসনের সময় শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করলে সর্বাগ্রে শিরিনা নাহার লিপিদের নেতৃত্বে প্রতিবাদের ঝড় লক্ষ্য করেছে দেশবাসী।

খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি এলাকার একজন বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা বলেন, বারী সাহেব ছিলেন একজন সৎ,নির্ভিক এবং জন নন্দিত এমপি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বিশেষ স্নেহধন্য এম এ বারীর এই সুযোগ্যা কন্যা শিরিনা নাহার লিপিকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থীর সিলেকশন দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথার্থ মূল্যায়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগের দুর্দিনে খুলনা অঞ্চলে লিপির বলিষ্ঠ ভূমিকা এখনো আওয়ামী লীগের সংগ্রামী নেতা কর্মীরা শ্রদ্ধার সাথে মূল্যায়ন করেন।

খুলনা থেকে শিরিন নাহার লিপিকে মনোনয়ন এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বিতর্ক তুলেছেন এই বলে যে, তিনি বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজলের স্ত্রী। কিন্তু লিপি যেখানে আওয়ামী লীগ নেতার কন্যা ও ছাত্রলীগ থেকে এখন পর্যন্ত যুব মহিলা লীগ হয়ে দলের প্রতি নিবেদিত সেখানে বৈবাহিক সম্পর্ক তার রাজনীতির প্রাপ্তিতে কোনো বাধা হতে পারে না বলে বিশিষ্ঠ সাংবাদিক, কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিন এ উল্লেখ করেছেন।

শিরিনা নাহার লিপির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, প্রানপ্রিয় নেত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তিনি যে আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমার বিষয়টি বিবেচনা করেছেন তা আমি আমৃত্য দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পালন করে যাব। দেশের জন্যে কাজ করব। বিশেষ করে খুলনা অঞ্চলের অবহেলিত নারী সমাজের জন্যে বিশেষ ভাবে কাজ করার ইচ্ছা আছে। তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছেন।

আরো খবর »