করোনাভাইরাসে আরেক পুলিশের মৃত্যু

Feature Image

নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় কোভিড-১৯ রোগী আরেক কনস্টেবল মারা গেছেন, এ নিয়ে করোনাভাইরাস সাত পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হল। শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকার রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে মৃত্যু হয় জালাল উদ্দিন খোকা নামের ওই ট্রাফিক কনস্টেবলের।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা এই কনস্টেবলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ময়মনসিংহের ভালুকার বাসিন্দা জালাল ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের পূর্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

পুলিশের ঢাকা মহানগর ট্রাফিক (পূর্ব) বিভাগের উপকমিশনার শাহেদ আল মাসুদ জানান, নমুনা পরীক্ষায় গত ২৬ এপ্রিল কনস্টেবল জালালের দেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। সেদিন থেকে তিনি পুলিশ হাসপাতালে আইসিইউতে ছিলেন।

করোনাভাইরাসে পুলিশের ১৩শর বেশি সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন।আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য বেসরকারি একটি হাসপাতালও বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে।

ঢাকার ইমপালস হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের ভর্তি শুরু হয়েছে। বাহিনীতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি এই হাসপাতালটি ভাড়া নিয়েছে পুলিশ।

শনিবারই রোগী ভর্তি শুরু হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা। তিনি জানান, এই হাসপাতালে মোট আড়াইশ শয্যা রয়েছে। প্রথম দিন ৭৫জন রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে পুলিশের আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত শতাধিক পুলিশ সদস্যকে ইমপালসে নেওয়া হয়েছে। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আসন খালি না থাকায় ইমপালস হাসপাতাল ভাড়া নেওয়া হয়। তবে যাদের প্রথম দিনে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাদের, তারা রাজারবাগ বাদে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদিকে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের আড়াইশ’ আসনের একটিও খালি নেই। সেখানে এখন শুধু কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসাই চলছে।

এছাড়া ছয়টি বিভাগীয় শহরে পুলিশের যে হাসপাতাল রয়েছে, সেখানেই শুধু কোভিড-১৯ আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে।

পুলিশে এই পর্যন্ত এক হাজার ৫০৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭০৮ জনই ঢাকা মহানগরের। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১০ জন, মারা গেছেন সাতজন।

আরো খবর »