ঘাড় ও কাঁধে ছুরিকাঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে ফাহিমের: ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

Feature Image

নিউ ইয়র্কে নিজ অ্যাপার্টমেন্টে হত্যার শিকার ফাহিম সালেহর শরীরে বেশ কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ঘাড় ও কাঁধে ছুরির আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট । বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক শহরের চিফ মেডিক্যাল এক্সামিনারের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানে হয়।

মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটন এলাকার নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পাঠাও-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ’র ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে প্রকৃত হত্যার রহস্য জানতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

স্থানীয় পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফুটেজে ফাহিমকে সর্বশেষ অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে উঠতে দেখা গেছে এবং ওই লিফটে তার সঙ্গে সম্পূর্ণ কালো পোশাক পরা একজনকে প্রবেশ করতে দেখা গেছে। লিফটটি সোজা তার অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিটে গিয়ে থেমেছে।

ওই কালো পোশাক পরা ব্যক্তিকেই সম্ভাব্য খুনি হিসেবে ধারণা করছে পুলিশ। তারা বলছে, অপরাধীর কাছে একটা স্যুটকেস ছিল। পরনে ছিল স্যুট, হাতে গ্লাভস ও মাথায় হ্যাট। মঙ্গলবার ফাহিমের মরদেহের পাশেই একটি ইলেকট্রিক করাত মেশিনের সন্ধান পায় পুলিশ। খণ্ডবিচ্ছিন্ন অঙ্গগুলো পাওয়া যায় পাশেই রাখা একটি প্লাস্টিক ব্যাগে।

ফাহিম সালেহর জন্ম ১৯৮৬ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেম পড়াশোনা করতেন তিনি। ২০১৪ সালে নিউ ইয়র্ক থেকে ঢাকায় ফিরে যৌথভাবে ‘পাঠাও অ্যাপ’ চালু করে নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। নিহত ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়ায় ‘গোকান্ডা’ নামে আরেকটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম চালু করেন।

ফাহিমের পরিবারের পক্ষ থেকে তার হত্যার ন্যায়বিচারের দাবি জানানো হয়েছে। সেই সাথে এই অপরাধের সবকিছু উন্মোচন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরো খবর »