চুরি করতে গিয়ে দেখে ফেলায় ওষুধ ব্যবসায়ীকে হত্যা

Feature Image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে বাসায় ঢুকে তাজুল ইসলাম আখন্দ (৪০) নামে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়র উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় দুজনকে ধাওয়া করে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাদের পুলিশের সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্র বলছে, আখন্দ এবং তার আরেক ভাই ওই বাসায় থাকতেন। ঘটনার সময় তার ভাই বাসায় ছিলেন না। পরে খবর পেয়ে ছুটে আসেন। আখন্দ রায়েরবাগ এলাকায় ফার্মেসি ব্যবসায় করতেন।

ঘটনার পর আটক দুজনের একজন হৃদয় (২৩) ছুরিকাঘাত করার কথা স্বীকার করেছে। তবে সঙ্গে থাকা আরেকজন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এলাকাবাসী জানিয়েছে, সে ঘটনার ভিডিও করছিল। ঘটনার সময় আখন্দ বাসায় একা ছিলেন। তার অন্য ভাই বাসার ভাইরে ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, নিহত আখন্দ রাজধানীর শনির আখড়া, হাজী মসজিদ সংলগ্ন, রতন মেম্বারের বাড়িতে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার মেহেদীগঞ্জ উপজেলার তার বাবার নাম আ. মালেক।

এ সম্পর্কে যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন আয়ান মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চুরি করতে গিয়ে দেখে ফেলায় ছুরিকাঘাত করলে খুনের ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় দুজন আটক আছে। একজন নিজের দোষ স্বীকার করেছে। তবে সে একেকবার একেক রকমের কথা বলছেন। আটকৃত আরেকজনের বিষয়ে খবর নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সঠিক তদন্তের জন্য ইতিমধ্যেই ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আকটকৃতদের সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি কোনো চক্রের কাজ। আগে থেকে খবর নিয়ে যে বাড়িতে টাকা পাওয়া যাবে সেখানে চুরি করতে যায়।’

ইউসুফ নামে এক পত্যক্ষদর্শী জানান, বাসায় ঢুকে আখন্দকে ছুরিকাঘাত করলে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। দুর্বৃত্তরা পালাবার সময় দুজন ধরে ফেলা হয়। আহত অবস্থায় তাজুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি।

আরো খবর »