ডা. সাবরিনার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে চার প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি

Feature Image

জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন ওরফে সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিআইএফইউ) ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটসহ চার প্রতিষ্ঠানে নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরি ও সরবরাহ করে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

গতকাল রবিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো পৃথক পৃথক চিঠিতে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়। দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোছা. সেলিনা আখতার মনির স্বাক্ষরিত চিঠিগুলো বিআইএফইউর মহাব্যবস্থাপক, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল-১০ এর কর কমিশনার এবং যৌথ মূলধন কম্পানি ও ফার্মসমূহ পরিদপ্তরের (আরজেএসসি) নিবন্ধক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

বিআইএফইউয়ে পাঠানো চিঠিতে সাবরিনা চৌধুরী ও তার স্বামী আরিফ চৌধুরীর ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দেশি-বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবের তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তাদের নামে ঋণ গ্রহণের আবেদন, মঞ্জুরিপত্র, বন্ধকি দলিল, বন্ধকি সম্পত্তির টাইটেল ডিড ইত্যাদি তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে পাঠানো চিঠিতে পেশাগত সকল নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাবরিনা ও আরিফের মালিকানাধীন জেকেজি হেলথ কেয়ারের নিবন্ধনপত্র, কম্পানির মেমোরেন্ডাম ও অংশিদারত্বের চুক্তিপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছে। এনবিআরে দেওয়া চিঠিতে আরিফ ও সাবরিনার আয়-ব্যয়ের হিসাব পেতে টিআইএন সার্টিফিকেটসহ আয়কর রিটার্নের সত্যায়িত কপি চেয়েছেন দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা।

আরো খবর »