কফিনে মিলল গাঁজা

Feature Image

করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয় বাবা আব্দুল হালিমের (৭০)। মরদেহ নিতে কাঠের কফিন নিয়ে এগিয়ে আসেন ছেলে সোহাগ। তবে বিপত্তি বাধে মরদেহ কফিনে তোলার সময়। সেখানে কাগজের একটি পোঁটলা দেখতে পান অ্যাম্বুল্যান্সচালক লিটন। তিনি সেটি নিয়ে কৌতূহল দেখালে সোহাগ পোঁটলাটি ফেলে দেন।

এর মধ্যেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন লিটন। পুলিশ এসে দেখতে পায়, আস্ত ২১ পুরিয়া গাঁজা। ঘটনাটি বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের। গত রবিবার রাতের এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া গাঁজা জব্দ করা হলেও কাউকে আটক করা হয়নি। তবে গাঁজা বহনকারীকে চিহ্নিত করতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হালিমের মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী কফিন আনা হলে এর মধ্যে ওই পোঁটলা দেখতে পান অ্যাম্বুল্যান্সচালক লিটন। এ সময় মৃতের ছেলে সোহাগের কাছে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলেই সেটি ফেলে দেন। পরে সোহাগ তা এনে কফিনের আগের জায়গায় রাখেন।

এরপর লিটনের ফোন পেয়ে ছুটে আসে বরিশাল কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ। তারা পোঁটলাটি খুলে ২১ পুরিয়া গাঁজা দেখতে পায়। এ সময় সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আরো খবর »