ম্যানসিটিকে বিদায় করে সেমিতে লিঁও

Feature Image

কোন দল গড়েছে রেকর্ড। কেউ ডুবেছে লজ্জায়। অনেক বড় দল বিদায় নিয়েছে আগে ভাগে। ব্যর্থতায় কোচ ছাঁটাই করেছে, করছে কোন কোন ক্লাব। এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগে রূপ কথা লিখে চলেছে আরবি লাইপজিগ, অলিম্পিয়াকোস লিঁওর মতো দল। শনিবার রাতের ম্যাচে লিঁও যেমন ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ফেবারিট ম্যানচেস্টার সিটিকে। বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে উঠে গেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে।

বলের রাজত্বই ফুটবলে সব না। গোল দেওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।বায়ার্নের বিপক্ষে বার্সা সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। পায়ে বলের দখল বেশি রেখেও লজ্জায় ডুবেছে। ম্যানচেস্টার সিটিও তাই। নিজেদের পায়ে রেখেছে ৭২ ভাগ বল। অথচ পুরো ম্যাচে মাত্র ২৫৬টি সফল পাস দিয়ে তিন গোল করে সেমিফাইনালে উঠে গেছে ফ্রান্স ক্লাব লিঁও।

ম্যাচের ২৪ মিনিটে লিঁঁওর হয়ে প্রথম গোল করেন ম্যাক্সওয়েল কর্নেট। আইভরিকোস্ট ফরোয়ার্ডের গোলে প্রথমার্ধে লিড নিয়ে শেষ করে ফ্রান্স ক্লাবটি। দ্বিতীয়ার্ধের অর্ধেক সময় পেরোতেই সমতাসূচক গোলটি করেন ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনি। পিএসজির মতো ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে তারা। বাড়াতে থাকে আক্রমণ।

সেটাই কাল হয়েছে ম্যানসিটির। তাদের তাই স্তব্ধ করে উল্টো ঘুরে দাঁড়ায় লিঁও। ৭৯ মিনিটে মৌসা ডেম্বেলে গোল করে দলকে আবার লিড এনে দেন। ২-১ গোলে এগিয়ে থাকলেও ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছিল লিঁওর। দলকে সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে নেওয়ার কাজটা তাই মৌসা ডেম্বেলেই করেন। ৮৭ মিনিটে গোল করে লিঁওর ফ্রান্স স্ট্রাইকার দলকে সেমিফাইনালে তুলে নেন।

এ নিয়ে টানা তিন মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিল পেপ গার্দিওয়ালার ম্যানচেস্টার সিটি। এছাড়া লিঁওর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে তিনবার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই পা হড়কেছে সিটি। ২০১৮ সালের গ্রুপ পর্বে আগের দুই দেখায় পেপের দল একটিতে হারে এবং একটিতে সমতায় করে মাঠ ছাড়ে। এবার নকআউটের ম্যাচে ডি ব্রুইনিদের নকআউট করে দিল লিঁও।

আরো খবর »