টঙ্গীর স্কুলছাত্র ইনজামুল হত্যা: ফাঁসির আসামির সাজা কমলো হাইকোর্টে

Feature Image

টঙ্গীর চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্র ইনজামুল হক হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ইব্রাহিম হোসেন সুমন ও মো. সাহেব আলীর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি নাহিদ ইসলাম নাহিদকে ১০ বছর সাজা দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই মামলার পলাতক আসামি মো. হান্নানের ৭ বছর কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি মাহমুদুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুল হক খান ফরিদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।

এর আগে ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট গাজীপুরের আদালত এক রায়ে টঙ্গীর আউচপাড়ার ইউসুফ মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম হোসেন সুমন (২৫), একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে নাহিদ ইসলাম নাহিদ (২৮) ও হাজী মো. মোতালেব হোসেনের ছেলে মো. সাহেব আলী (৩০) মৃত্যুদণ্ড দেন। এছাড়া একই এলাকার মো. আব্দুল আজিজের ছেলে মো. হান্নানকে (২৮) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেযন আদালত।
পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয় এবং কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন।

২০০৭ সালের ১৭ অক্টোবর টঙ্গীর আউচপাড়া মোক্তারবাড়ি সড়ক এলাকার সফিউদ্দিন মোল্লার ছেলে উত্তরার সৃষ্টি সেন্ট্রাল স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র ইনজামুল হক নিখোঁজ হয়। পরে দুর্বৃত্তরা ইনজামুলের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ব্যাপারে ইনজামুলের ভগ্নিপতি মোবারক হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে টঙ্গী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ সন্দেহজনক কয়েকজনকে আটক করে। পরে আটককৃতদের দেয়া তথ্যানুযায়ী ঘটনার ১০ দিন পর পুলিশ ও র‌্যাব ওই এলাকার পরিত্যক্ত একটি বাড়ি থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় ইনজামুলের লাশ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই ৪ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আরো খবর »