সাবরিনাসহ ৮ জনের পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১০ সেপ্টেম্বর

Feature Image

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রতারণা মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালত এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।

এর আগে মামলার বাদী মো. কামাল হোসেনকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা অসমাপ্ত জেরা শুরু করেন। পরে তার জেরা শেষ হলে আদালত পরবর্তী ১০ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

এদিকে, গত ২৭ আগস্ট মামলার বাদী মো. কামাল হোসেন তাদের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দেন। কিন্তু সাক্ষীর জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত ৩ সেপ্টেম্বর জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

গত ২০ আগস্ট আদালত অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন। গত ১৩ আগস্ট মামলার নথি পাননি বলে আদালতে পাঁচ আসামি সময়ের আবেদন করেন। পরে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াদ অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেন। এরপর তিনি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে বদলি করেন। গত ৫ আগস্ট করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে প্রতারণার মামলায় সাবরিনা ও আরিফুলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত সংস্থা।

সেখানে সাবরিনা ও আরিফকে মূল হোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে।

গত ২৩ জুন সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গত ১২ জুলাই দুপুরে সাবরিনাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় সাবরিনাকে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে তেজগাঁও থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

জেকেজি হেলথ কেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করা হয়, যা জব্দ করা ল্যাপটপে পাওয়া গেছে।

আরো খবর »