বার্তামেউয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পুলিশের

Feature Image

বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোসেপ মারিও বার্তামেউয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে কাতালান পুলিশ। বার্সা প্রেসিডেন্ট ‘বার্সাগেট’ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত। সেখান থেকে আইন বর্হিভূত প্রচুর ব্যক্তিগত অর্থ অর্জন করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ১৩টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে বার্সার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও বার্সার তারকাদের নামে প্রচারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওই কাজের জন্য বার্তামেউ খরচ করেছেন এক মিলিয়ন ইউরো। যেটা অনৈতিক। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তাই মামলা করেছে কাতালান পুলিশ। এছাড়া উচ্চতর তদন্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম এল মুন্ডো বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে কাদেনা সের দুর্নীতির অভিযোগ এনে বার্তামেউয়ের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের ৩৬ পাতার প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্তও দেওয়া হয়। তাতে দেখা যায়, বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে নিয়মিত বার্সার বেশ কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বার্সার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীগণ এবং ফুটবলাররা।

মেসির বিরুদ্ধে ওই সামাজিক মাধ্যম থেকে ছড়ানো হয় যে, দল পরিচালিত হয় মেসির ইচ্ছাতে। এছাড়া দলে কে খেলবেন, কাকে আনতে হবে, ছাড়তে হবে এসব দিদ্ধান্তও মেসি নেন। মেসির পরিবারকে কটাক্ষ করেও অনেক অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এমনকি মেসির বার্সা ছাড়ার যে জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তার অন্যতম কারণ ছিল সামাজিক মাধ্যম কটাক্ষের শিকার হওয়া।

বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট মারিও বার্তামেউ বর্তমানে কঠোর সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন। বার্সা ৮-২ ব্যবধানে বায়ার্নের কাছে হারের পরও সমালোচনার তীর খেতে হয়েছে তার। বার্তামেউয়ের পদত্যাগেও দাবি ওঠে। কিন্তু নিজে পদত্যাগ না করে, বার্তামেউ সরিয়ে দিয়েছেন পরিচালক এরিক আবিদাল ও বার্সা কোচ কিকে সেতিয়েনকে।

আরো খবর »