প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ভর্তি ৬ ডায়রিয়া রোগী

Feature Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রবিবার সকাল ১০ থেকে বিকেল ৪টা নাগাদ ভর্তি হয় ৩০ জন ডায়রিয়া রোগী। ছয় ঘণ্টায় ৩০ জনের হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছে পাঁচজন রোগী। শয্যা না থাকায় অনেকে ওয়ার্ড ও এর বাইরের মেঝেতে চিকিৎসা নেয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চলতি বছরের তিনমাসের মধ্যে মার্চে রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুন হয়ে যায়।

জানুয়ারি মাসে এক হাজার ৫১ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে এক হাজার ৯৯ জন ও মার্চ মাসে এক হাজার ৮৫৪ জন রোগী চিকিৎসা নেন। রবিবার বিকেলে এ রিপোর্ট লেখার সময় হাসপাতালটিতে ভর্তি আছেন ৭৪ জন। রাতে রোগীর সংখ্যা বাড়ে। শনিবার দুপুর নাগাদ ভর্তি ছিলেন ১৯৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মাঝ বয়সি ও বৃদ্ধ নারী-পুরুষের সংখ্যা বেশি।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের চারতলায় ডায়রিয়া ওয়ার্ডে নিয়মিত মোট ২০টি শয্যা থাকে। তবে রোগী বেড়ে যাওয়ায় এখন শয্যা বাড়িয়ে ৩০টি করা হয়েছে। তবে এতেও জায়গা না হওয়ায় রোগীরা ওয়ার্ডের বাইরে ও ভেতরে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসা মান নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও ওয়ার্ডের পরিবেশ ভালো নয় বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক রোগী ও তাদের স্বজন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন বউ বাজার এলাকায় ভাড়াটিয়া বৃদ্ধ মিজানুর রহমান শনিবার রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে এসে ভর্তি হন। তার মেয়ে লাইলী বেগম জানান, ঠিক কি কারণে তার বাবা ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছেন সেটা বুঝতে পারছেন না।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান সাংবাদিকদেরকে জানান, রোগী বেড়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত শয্যার অভাবে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। গরম থেকে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

আরো খবর »