মা-মেয়ের স্বপ্নপূরণ এর গল্প

Feature Image

আমি রেজিনা সুলতানা,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাশ করে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে নেয়ার স্বপ্ন ছিল দুচোখে। একটা জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকায় ইন্টার্নশীপ শেষ করে বেশ কিছুদিন কাজ করি। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতার কারনে পেশা পরিবর্তন করতে হয়। একটি স্বপ্নের মৃত্যু হয়।শুরু হয় নতুন অধ্যায়।সাত বছর শিক্ষকতা করার পর আবার কর্মজীবনের ছন্দপতন।নিজে কিছু করব সেই স্বপ্ন অনেক দিনের।শুরু হলো নতুন অধ্যায়।এদিকে আমার কন্যা অনন্যা স্বনামধন্য কোম্পানীতে কাজ করলেও সব সময়েই চাইতো ক্রিয়েটিভ কিছু করার। ছোটবেলা থেকেই ও খুবই ক্রিয়েটিভ ছিল,বেশ ছোট থেকেই ও নিজে ডিজাইন করে পোশাক পরতো।আর সবাই তার প্রশংশা করত। মা আর মেয়ের স্বপ্ন দেখার শুরু সেখান থেকেই।

গুটি গুটি পায়ে ২০১৭ সালে শুরু হলো রেজিনা’স ইয়েলো মার্ট- এর যাত্রা।শুরুটা খুব একটা মসৃন ছিল না। খুব কম পুঁজি আর স্বল্প পরিসরে শুরু করলাম। সাধারনত সবাই প্রথমে অনলাইন এবং পরে শোরুম নিলেও আমাদের ক্ষেত্রে পুরোপুরি বিপরীত। শোরুম দিয়ে শুরু করে তার এক বছর পর অনলাইনে আমরা কাজ শুরু করি। কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী আমরা দেশী-বিদেশী সব ধরনের পোডাক্ট নিয়ে কাজ করছি।

মেয়েদের পোশাক আর অলংকার নিয়ে আমাদের কাজ।আমাদের সিগনেচার প্রডাক্ট হলো দেশীয় কাপরে নিজদের ডিজাইন করা শারী, যা দেশে-বিদেশে সমানভাবে জনপ্রিয়। আজকে যতটুকু আমাদের পরিচিতি অথবা জনপ্রিয়তা তার সবটুকুই আমাদের মা-মেয়ের কঠোর পরিশ্রম আর সততার ফসল। আর অবশ্যই কাস্টমারের ভালবাসা। কোয়ালিটি কিংবা সততার প্রশ্নে আমরা কখনো আপোষ করি না, তাই রেজিনা’স ইয়েলো মার্ট – বিশ্বাস আর ভরসার নাম।

পরিবারের সহযোগিতার কথা না বললেই নয়। সবার সহযোগীতা আর সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত আমাদের চলার পথকে আরো মসৃন করেছে। সবার দোয়া আর শুভকামনা চাই , যেতে চাই বহুদুর। মা-মেয়ের ব্রান্ড মানেই যেনো হয় রেজিনা’স ইয়েলো মার্ট। সমাজের সব বাঁধা আর প্রতিবন্ধকতা পার হয়ে যেতে চাই বহুদুর। আস্হা আর ভালোবাসায় টইটুম্বুর থাকুক রেজিনা’স ইয়েলো মার্ট। ভালবাসি সবাইকে, ভালবাসা দিয়ে জয় হোক সব অকল্যান-অমংগলের।

আরো খবর »